গতবছর কুমিল্লায় ডিপি টিউটোরিয়ালস যেদিন সেশন নিছিল,সেদিন দিপ্রো প্রত্যয় ভাইয়া তিনটা ঘটনা শেয়ার করছিল ঐদিনের।সেই দ্বিতীয় ঘটনায় ভাইয়া যে মেয়েটার কথা বলছে,সে হচ্ছে rifah jakiah ishika.She is just a little girl, reading in class nine. I can still remember, সে যখন নতুন নতুন a71 এ জয়েন দিছিলো,তো ওর প্রথম মিটিংয়ে ওকে যখন ইন্ট্রো দেওয়ার কথা বলা হইছিল,তখন সে ভয় পাইতেছিল অনেক। Then Monowar ওরে সামনে আনছে,জিজ্ঞেস করছে যে তুমি এখানে কাকে চিনো?সে বলছে,শুধু নিঝুমাপুকে চিনি ।
Then Monowar showed her a strategy. That was like -- তুমি ফার্স্টে নিঝুমাপুর দিকে তাকাও,কিছু বলো। এরপরে একবার তোমার ডানে তাকাও, আবার নিঝুমাপুর দিকে তাকায় কিছু বলো।তারপর বামে তাকায় সাথে সাথে আবার নিঝুমাপুর দিকে তাকাইয়া আবারও কিছু বলে শেষ করে দাও। এই একটা স্ট্র্যাটেজি ফলো করে সে মোটামুটি ওইদিনের ইন্ট্রো শেষ করতে পারছে।বাসায় গিয়ে সে আমাকে থ্যাংকফুল মেসেজও দিছে,যেদিকে আমার কোনো ক্রেডিটই ছিলো না। যাইহোক এরপরের সব মিটিংয়েও সে আর এটলিস্ট ভয় পায় নাই এটা নিয়ে।
এতদিন পর এটা বলার কারণ তেমন কিছুই না,তারপরও অনেক কিছু।এই যে যারা আমাকে জিজ্ঞেস করে, অরুদ্ধ একাত্তরে গিয়ে তোরা আসলে কি করিস?এটাতে কি হয়?মেম্বাররা কেন জয়েন দেয় এইটায়? এরা কী পায়?এই কোয়শ্চনগুলার একটা আংশিক আন্সার দিতেছি।
It is Aruddho Ekattor যে, ইশিকার ৫৪ জনের সামনে কথা বলার সাহসকে আপগ্রেড করে ২০০ জনের সামনে কথা বলার সাহস এনে দিছে।
It is Aruddho Ekattor যে,ইশিকার নিঝুমাপুর দিকে তাকায় কথা বলার সাহসকে আপগ্রেড করে দিপ্রো প্রত্যয় ভাইয়ার সামনে,উনার দিকে তাকায়, উনাকেই উদ্দেশ্য করে কথা বলার সাহস করে দিছে।
এটা ছোট্ট ইশিকার একটা ছোট্ট ঘটনা। এমন অনেক ছোট্ট এনথাসিয়াস্ট বাচ্চাকাচ্চাকে স্কিলড অরুদ্ধ ভলান্টিয়ারে রূপ দিছে আমাদের অরুদ্ধ একাত্তর। আমাদের মূল সার্থকতা আসলে এখানেই, শুরু থেকেই আমরা বেশিরভাগ এসব ফ্রেশারদেরকে নিয়েই ইভেন্ট অরগানাইজ করে আসতেছি, যারা ভলান্টিয়ারিং,ক্লাবিং টিম ওয়ার্ক এসবে একদম নতুন। ইভেন আমরা এখনো রিক্রুইটমেন্টের সময় স্কিলের দিকে না ফোকাড করে,অ্যাপ্লিক্যান্টের ডেডিকেশনের দিকে ফোকাস করি। কারণ ডেডিকেশন থাকলে স্কিল অটোমেটিক্যালি হাতের মুঠোয় চলে আসে। সেজন্যই তো এই অরুদ্ধ বাচ্চাদেরকে নিয়ে করা ইভেন্টগুলোর একটাও ফ্লপ যায় নাই র্যাদার দ্যান প্রত্যেকটাতে অডিয়েন্সের এনগেজমেন্ট আমাদের এক্সপেকটেশনকে এক্সিড করে গেছে। আমরা অরুদ্ধরা চাই, আমাদের অরুদ্ধ একাত্তর একদিন অনেক বড় হোক,সারাদেশ থেকে সারা পৃথিবীতে ছড়ায় যাক। তবে এই অরুদ্ধ একাত্তর নিয়ে আমার আলাদা একটা ভিশন আছে। আমি চাই,আমি বিশ্বাস করি, আমরা এখন যেভাবে পড়ি, মার্কজাকারবার্গ তার বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বন্ধুকে নিয়ে ফেসবুক নামক সোশ্যাল মিডিয়া আবিষ্কার করেছিল,ঠিক সেভাবেই আমাদের নেক্সট জেনারেশন নিউইয়র্ক টাইমস বা বাংলার প্রথম আলোতে পড়বে,কিভাবে বাংলাদেশের স্কুল পড়ুয়া ছয় বন্ধু মিলে অরুদ্ধ একাত্তর নামক একটা ছোট্ট ইয়্যুথ অরগানাইজেশানকে মাল্টিন্যাশনাল অরগানাইজেশানে রূপ দিছে!
যাই হোক,আমার এই অরুদ্ধ একাত্তর অনেক অনেক একমপ্লিশমেন্ট নিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করলো। শুভ জন্মদিন অরুদ্ধ একাত্তর।
পোস্টটা গতকালকে করার কথা ছিল কিন্তু কেন জানি করা হয় নাই।
-Nikhar Sultana Nijhum
Assistant Chief, Cumilla district,A71
